আমার মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা সুমেস্বরী,
তোমার ঐ রূপ দেখে মোর মন ভরি গো প্রান ভরি।
না দেখা তোমার হাতে ধরি, তোমার পায়ে পরি
তোমার প্রবল স্রোতে ভেসে যাক মোর মন তরী।
দেখে তোমার দু'পাশের ঐ উচু নিচু সবুজ পাহাড়ী,
ইচ্ছে করে তোমার এ বালু তীরে করি মোর ঘরবাড়ি।
তোমার ঐ শীতল গায়ে ভেসে মোর মন হারিয়েছি,
না বুঝেই তাকে মোর সব সপেছি গো সব সপেছি,
তোমার গায়ে পা ডুবিয়ে আমি নায়ে ভেসেছি,
নিজের সুরে গলা ছেড়ে গান গেয়েছি,
পশ্চিম আকাশে ঐ সূর্যটাকে ডুবে যেতে দেখেছি,
তোমায় আমি স্বাক্ষী করে তাকে নিয়ে কবিতা লিখেছি।
সুমেস্বরী তোমার জলে মোর স্নান করা হয়নি,
তাই মোর মনের সকল আশা পূরণ হয়নি।
সুমেস্বরী মোর যে আশা পূরণ হয়নি এবেলা,
তা আমি পূরণ করব এসে অন্য কোন বেলা,
এতো মোর নয় হেলা গো নয় হেলা।
আমি পারিনা বাজাতে দুখের সাথী ঐ বেহালা,
তবুও তোমার এই গান আমি গাইব ছেড়ে গলা,
তোমার কাছে আসব ফিরে সাঙ্গ করে ভবের খেলা।
আমার মনের মাঝে সুখের স্মৃতি সুমেস্বরী,
তোমায় আবার দেখার আগে যেন না মরি গো না মরি।
কবিতার পুরনো ডাইরি
Monday, January 24, 2011
Thursday, January 6, 2011
আজকের পূর্ণিমা
আজ এ পূর্ণিমা রাতে
হাত রেখে তোমার হাতে
ইচ্ছে করে জীবনানন্দ হতে
চাঁদের চেয়ে রাত পোহাতে।
এমন রাতে পানিতে নেশা হয়
মাতালের মত করি অভিনয়
মনে থাকে না কোন ডর ভয়
মনে থাকে না নিজের পরিচয়।
পানির নেশার ঘুরছে পৃথিবী
না, আর নয় কোন দানবী
এ দেখি কোন এক মায়াবী
মন ভোলানো কোন মানবী।
বাইরে আজ ভরা জোছনা
মন আমার ঘরে থাকছেনা
আর কেউতো দেখি বেরুচ্ছেনা
কেউ কি চাঁদকে ভালবাসে না।
এই পূর্ণিমা শেয়াল ডাকা
রূপালী সমুদ্রে সব ঢাকা
রাস্তা গুলো আঁকা-বাকা
তবুও যাচ্ছে তা দেখা।
আজ রাতের পূর্ণিমার পরিচয়
শহরবাসীর থাকার কথা নয়
পৃথিবী দেখেছে তারা কৃত্রিম আলোয়
যাতে জোছনা স্নান নাহি হয়।
আজকের এই পূর্ণিমা আমাদের
এই পূর্ণিমা সব ভবঘুরেদের
বুদ্ধ পূর্ণিমা শুধু বুদ্ধদেবের
আর বাকি সব জীবনানন্দের।
হাত রেখে তোমার হাতে
ইচ্ছে করে জীবনানন্দ হতে
চাঁদের চেয়ে রাত পোহাতে।
এমন রাতে পানিতে নেশা হয়
মাতালের মত করি অভিনয়
মনে থাকে না কোন ডর ভয়
মনে থাকে না নিজের পরিচয়।
পানির নেশার ঘুরছে পৃথিবী
না, আর নয় কোন দানবী
এ দেখি কোন এক মায়াবী
মন ভোলানো কোন মানবী।
বাইরে আজ ভরা জোছনা
মন আমার ঘরে থাকছেনা
আর কেউতো দেখি বেরুচ্ছেনা
কেউ কি চাঁদকে ভালবাসে না।
এই পূর্ণিমা শেয়াল ডাকা
রূপালী সমুদ্রে সব ঢাকা
রাস্তা গুলো আঁকা-বাকা
তবুও যাচ্ছে তা দেখা।
আজ রাতের পূর্ণিমার পরিচয়
শহরবাসীর থাকার কথা নয়
পৃথিবী দেখেছে তারা কৃত্রিম আলোয়
যাতে জোছনা স্নান নাহি হয়।
আজকের এই পূর্ণিমা আমাদের
এই পূর্ণিমা সব ভবঘুরেদের
বুদ্ধ পূর্ণিমা শুধু বুদ্ধদেবের
আর বাকি সব জীবনানন্দের।
Friday, December 24, 2010
নদীর সাথে কথা
ভেবে ছিলাম লিখব এক কবিতা,
বিষয় বস্তু হবে নদীর সাথে কথা।
কিন্তু সে কবিতা হয়ে গেল বৃথা,
সাইকেলটা না থাকায় যাওয়া হলনা সেথা।
নদীটা এখান থেকে একটু দূরে,
চলে যেন ঠিক পাহাড়ি নদীর সূরে,
কল্পনা বিলাসে সুতো দিয়ে বেধেছি এক কুড়ে,
বলেছি কথা নদীর সাথে বসে সেই নদীর ধারে।
নদীরে বলি, "নদী নেবে তোমার সাথে?"
নদী বলে, "কি আছে আমার জীবন পখে?"
"কেন? আছে না, সাগরের সাথে মিলন?"
"মিলন! সে তো মিলন নয় রিতিমত শোষন,
মিশলে সাগরে, কেউ আর নদীরে করে না পোষন,
আর সাগর বলে, নদী আমায় করছে দূষন।"
"কেন সুখ? সেও কি নেই তোমার?"
"সুখ! কে বলে তা আমার?
প্রকৃতিই যে করছে শাষন সবার,
তবে তোমার আমার ভেদ রইল কি আর?"
নদী বলে, "কি প্রশ্ন আরো আছে?"
আমি বলি, "এ সন্ধ্যায় পথ হারাব পাছে।"
বিষয় বস্তু হবে নদীর সাথে কথা।
কিন্তু সে কবিতা হয়ে গেল বৃথা,
সাইকেলটা না থাকায় যাওয়া হলনা সেথা।
নদীটা এখান থেকে একটু দূরে,
চলে যেন ঠিক পাহাড়ি নদীর সূরে,
কল্পনা বিলাসে সুতো দিয়ে বেধেছি এক কুড়ে,
বলেছি কথা নদীর সাথে বসে সেই নদীর ধারে।
নদীরে বলি, "নদী নেবে তোমার সাথে?"
নদী বলে, "কি আছে আমার জীবন পখে?"
"কেন? আছে না, সাগরের সাথে মিলন?"
"মিলন! সে তো মিলন নয় রিতিমত শোষন,
মিশলে সাগরে, কেউ আর নদীরে করে না পোষন,
আর সাগর বলে, নদী আমায় করছে দূষন।"
"কেন সুখ? সেও কি নেই তোমার?"
"সুখ! কে বলে তা আমার?
প্রকৃতিই যে করছে শাষন সবার,
তবে তোমার আমার ভেদ রইল কি আর?"
নদী বলে, "কি প্রশ্ন আরো আছে?"
আমি বলি, "এ সন্ধ্যায় পথ হারাব পাছে।"
Subscribe to:
Posts (Atom)